বডি শেপিং সার্জারি
বডি শেপিং সার্জারি কী?
বডি শেপিং সার্জারি হলো এক ধরনের কসমেটিক সার্জারি যেখানে শরীরের আকার ও অনুপাত সুন্দর করে তোলা হয়। এতে অতিরিক্ত চর্বি কমানো, ঝুলে যাওয়া ত্বক টানটান করা এবং শরীরকে বেশি ফিট ও ব্যালান্সড দেখানো হয়।
সাধারণত কী কী ধরনের বডি শেপিং সার্জারি হয়?
- Liposuction (লিপোসাকশন) – পেট, উরু, বাহু বা থুতনির মতো জায়গা থেকে জেদি চর্বি সরানো।
- Tummy Tuck (অ্যাবডোমিনোপ্লাস্টি) – পেটের বাড়তি চামড়া সরিয়ে মাসল টাইট করা।
- Arm Lift (আর্ম লিফট/ব্র্যাকিওপ্লাস্টি) – বাহুর ঝুলে যাওয়া ত্বক টানটান করা।
- Thigh Lift (থাই লিফট) – উরুর অতিরিক্ত চামড়া ও চর্বি সরিয়ে আকার সুন্দর করা।
- Body Lift (বডি লিফট) – অনেক বেশি ওজন কমানোর পর পুরো শরীরের অতিরিক্ত চামড়া সরানো।
কারা বডি শেপিং সার্জারি করাতে পারেন?
* যাদের শরীরে এমন চর্বি আছে যা ডায়েট বা এক্সারসাইজেও কমছে না।
* যারা অনেক ওজন কমিয়েছেন কিন্তু ঝুলে যাওয়া ত্বক থেকে গেছে।
* যারা শরীরের আকার ও অনুপাত সুন্দর ও ফিট করতে চান।
ব্রেস্ট সার্জারি কি নিরাপদ?
* অভিজ্ঞ প্লাস্টিক সার্জনের মাধ্যমে করলে ব্রেস্ট সার্জারি সাধারণত নিরাপদ।
* তবে ঝুঁকি থাকতে পারে যেমন ইনফেকশন, দাগ, ফ্লুইড জমে যাওয়া বা ক্ষত শুকাতে সময় লাগা।
সার্জারির আগে সঠিক চেকআপ এবং পরে ডাক্তারের নির্দেশ মেনে চললে ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
সুস্থ হতে কতদিন লাগে?
* সার্জারির ধরণের ওপর নির্ভর করে।
* লিপোসাকশন: ১–২ সপ্তাহে হালকা কাজ করা যায়।
* টামি টাক বা বডি লিফট: পুরোপুরি সুস্থ হতে ৩–৬ সপ্তাহ লাগে।
* অনেক সময় বিশেষ কমপ্রেশন গার্মেন্টস (টাইট পোশাক) পরতে হয় যাতে ঠিকভাবে সাপোর্ট পাওয়া যায়।
দাগ কি থাকবে?
* হ্যাঁ, সার্জারিতে দাগ হয়।
* তবে ডাক্তার সাধারণত এমনভাবে কাটেন যাতে দাগ কম চোখে পড়ে।
ফলাফল কি স্থায়ী?
* হ্যাঁ, ফলাফল দীর্ঘস্থায়ী হয় যদি ওজন ঠিক রাখা যায় এবং স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল মেনে চলা হয়।
* তবে বয়স বাড়া বা হঠাৎ ওজন বাড়া/কমার কারণে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।
কেন অভিজ্ঞ প্লাস্টিক সার্জনের কাছে যাওয়া উচিত?
* দক্ষ সার্জন শরীরের সাথে মানানসই, প্রাকৃতিক ও সুন্দর ফলাফল দেন।
* নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং ঝুঁকি কম থাকে।
* রোগীরা শুধু সুন্দর শেপই পান না, আত্মবিশ্বাস ও জীবনযাত্রার মানও বাড়ে।
সারসংক্ষেপে: বডি শেপিং সার্জারি হলো নিরাপদ ও কার্যকর উপায় শরীরকে বেশি টোনড, ফিট ও সুন্দর দেখানোর জন্য। অভিজ্ঞ সার্জনের তত্ত্বাবধানে এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মেনে চললে ফলাফল দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।
