জেনিটাল অ্যাস্থেটিক সার্জারি

 
জেনিটাল অ্যাস্থেটিক সার্জারি কী?

জেনিটাল অ্যাস্থেটিক সার্জারি হলো এমন কসমেটিক অপারেশন, যেগুলো প্রজনন অঙ্গের সৌন্দর্য এবং অনেক সময় কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য করা হয়। পুরুষ ও মহিলা উভয়েই এই সার্জারি করে থাকেন, যাতে আরও আরামদায়ক, আত্মবিশ্বাসী ও সন্তুষ্ট থাকা যায়।

 

এর মধ্যে কী কী ধরনের সার্জারি থাকে?

মহিলাদের জন্য:

* ল্যাবিওপ্লাস্টি: ল্যাবিয়ার (ভেতরের বা বাইরের ঠোঁট) আকৃতি ছোট বা ঠিক করা।

* ভ্যাজিনোপ্লাস্টি: যোনি টানটান বা টাইট করা।

* ক্লিটোরাল হুড রিডাকশন: ক্লিটোরিসের চারপাশের অতিরিক্ত চামড়া কমানো।

পুরুষদের জন্য:

* পেনাইল এনহ্যান্সমেন্ট সার্জারি

* স্ক্রোটাম (অণ্ডকোষের থলি) লিফট বা শেপ ঠিক করা।

কারা এই সার্জারি করতে পারেন?

* যেসব মহিলাদের ল্যাবিয়া বড় বা অসমান হয়ে অস্বস্তি হয় বা লজ্জা লাগে।

* যাদের সন্তান জন্মের পর যোনি ঢিলা হয়ে গেছে।

* পুরুষরা যারা জেনিটাল এরিয়া আরও সুন্দর বা সঠিক শেপ চান।

* যারা ব্যক্তিগত জীবনে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চান।

এর সুবিধা কী কী?

* জেনিটাল এরিয়ার সৌন্দর্য বাড়ে।

* টাইট জামাকাপড় বা শারীরিক কাজে আরাম পাওয়া যায়।

* আত্মবিশ্বাস ও মানসিক স্বস্তি বাড়ে।

* অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সম্পর্কে সন্তুষ্টি বাড়ে।

এটা কি নিরাপদ?

* দক্ষ প্লাস্টিক বা রিকনস্ট্রাকটিভ সার্জন করলে সাধারণত নিরাপদ।

* ঝুঁকি হিসেবে ইনফেকশন, ফোলা, দাগ বা সাময়িক অস্বস্তি থাকতে পারে।

* সঠিক রোগী বাছাই ও সার্জারির পর ভালো যত্ন নিলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

সুস্থ হতে কতদিন লাগে?

* অধিকাংশ মানুষ ১–২ সপ্তাহের মধ্যে সাধারণ কাজকর্মে ফিরতে পারেন।

* পুরোপুরি সেরে উঠে স্বাভাবিক সম্পর্ক শুরু করতে ৪–৬ সপ্তাহ সময় লাগে।

* পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত চেক-আপ খুবই জরুরি।

দাগ কি থাকবে?

* হ্যাঁ, তবে খুব সামান্য দাগ থাকতে পারে, যেগুলো সাধারণত প্রাকৃতিক ভাঁজের মধ্যে লুকানো থাকে এবং সময়ের সাথে ফিকে হয়ে যায়।

ফলাফল কি স্থায়ী?

* হ্যাঁ, সাধারণত স্থায়ী হয়।

* তবে গর্ভধারণ, বয়স বাড়া বা ওজন পরিবর্তনে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে।

কেন অভিজ্ঞ সার্জন বেছে নেওয়া জরুরি?

* যাতে সৌন্দর্য আর নিরাপত্তা দুটোই নিশ্চিত হয়।

* যাতে ফলাফল স্বাভাবিক, সুন্দর আর সুষম হয়।

* ঝুঁকি কমে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়।

সারসংক্ষেপে: জেনিটাল অ্যাস্থেটিক সার্জারি হলো প্রজনন অঙ্গের সৌন্দর্য ও আরাম বাড়ানোর নিরাপদ ও কার্যকর উপায়। অভিজ্ঞ সার্জনের মাধ্যমে করলে দীর্ঘস্থায়ী সুন্দর ফলাফল ও আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়।